Skip to content
Home » শেখ মুজিব আমার পিতা PDF বই রিভিউ গ্রন্থ সমালোচনা | শেখ হাসিনা

শেখ মুজিব আমার পিতা PDF বই রিভিউ গ্রন্থ সমালোচনা | শেখ হাসিনা

শেখ মুজিব আমার পিতা pdf বই রিভিউ গ্রন্থ সমালোচনা শেখ হাসিনার লেখা বই সমূহ

শেখ মুজিব আমার পিতা গ্রন্থটি মূলত শেখ হাসিনা লিখিত স্মৃতিকথামূলক আত্মজৈবনিক রচনা । যাতে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবন এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের অনেক অজানা তথ্য । এছাড়াও রয়েছে দেশরত্ন শেখ হাসিনার লড়াই সংগ্রামের ইতিহাস। বাংলাদেশে এক সময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার যে অপচেষ্টা চলছিল, যেভাবে বিকৃত করা হয়েছিল জাতির গৌরবগাথা— এই গ্রন্থ থেকে পাঠক সেসবের একটি সঠিক চিত্র পাবেন।

স্বাধীনতা মহাকাব্যের মহানায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে অনেকেই গ্রন্থ রচনা করেছেন। সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থে পাঠক বঙ্গবন্ধুর জীবনী এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এমন অনেক অজানা তথ্য খুঁজে পাবেন— যা আগে কোথাও পাননি। গ্রন্থটি মূলত শেখ হাসিনা লিখিত স্মৃতিকথামূলক সংক্ষিপ্ত আত্মজৈবনিক রচনা। যাতে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের অনেক অনুল্লিখিত দিক এবং জননেত্রী শেখ হাসিনার লড়াই-সংগ্রামের গল্প।

বাংলাদেশের বাইরে শেখ হাসিনার পরিচিতি, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা, আশির দশকে বাংলাদেশে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের, নব্বই দশকের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের ও রাজপথে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী আর বিশ শতকের শেষ দশকের অপরার্ধে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনার অন্য পরিচয় বাংলাদেশের বাইরে খুব একটা জানা নেই, বিশেষত তাঁর লেখিকা পরিচিতি। শত ব্যস্ততা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও যে তিনি লিখে গেছেন, তাঁর লেখা যে মাঝে মাঝে বাংলাদেশের পত্রপত্রিকার প্রকাশিত হয় এবং তিনি যে বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা এ সংবাদ শুধু দেশের বাইরে কেন দেশের মধ্যেও খুব একটা জানা নেই।

শেখ হাসিনার অন্তত পাঁচটি স্বরচিত গ্রন্থ ও দুটি যৌথ সম্পাদিত গ্রন্থ রয়েছে বিভিন্ন বিষয়ে, যে তালিকা কম আকর্ষণীয় নয়। ‘ওরা টোকাই কেন?’ (১৯৮৮), ‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম (১৯৯৩), ‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’ (১৯৯৪), ‘দারিদ্র্য দূরীকরণ : কিছু চিন্তাভাবনা’ (১৯৯৫), ‘People and Democracy’ (১৯৯৭), শেখ হাসিনার পাঁচটি গ্রন্থ নয় বছরের মধ্যে প্রকাশিত। বেবী মওদুদের সঙ্গে যৌথভাবে সম্পাদিত ‘আমার স্বপ্ন আমার সংগ্রাম’ (১৯৯৭) আর ‘বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’ (১৯৯৮), যথাক্রমে বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন সভাসমিতিতে ও জাতীয় সংসদে প্রদত্ত ভাষণের সংকলন।

আরও পড়ুনঃ যে বইগুলো জীবনে একবার হলেও পড়া উচিত | ৫০০ বইয়ের তালিকা

উল্লিখিত গ্রন্থাবলি এবং আলোচ্য ‘আমার পিতা শেখ মুজিব’ গ্রন্থে সংকলিত প্রবন্ধাবলি মিলিরে পাঠ করলে ১৯৭৫-‘১৫ দুই দশকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক পরিস্থিতির সম্যক পরিচয় পাওয়া যায়। শেখ হাসিনা সঙ্গত কারণেই রাজনীতিকরূপেই অধিকতর পরিচিত, কিন্তু লেখিকারূপেও শেখ হাসিনার অবদান যে উপেক্ষণীয় নয় তার কারণ শেখ হাসিনার লেখা কোনো শৌখিন ব্যাপার বা অবসর বিনোদনের জন্যে নয়। পঁচাত্তর থেকে পঁচানব্বই দুই দশক তিনি যে দুঃসময় অতিক্রম করেছেন সে সময় লেখনী ধারণ সহজসাধ্য ছিল না। তবুও যে তিনি না লিখে পারেননি তার কারণ দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি তাঁর অকৃত্রিম ভালোবাসা, যা তিনি পেরেছিলেন উত্তরাধিকার সূত্রে এবং পঁচাত্তর পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে সম্পৃক্ততা থেকে।

‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ গ্রন্থে সংকলিত প্রবন্ধাবলি, যা বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় বা সংকলনে প্রকাশিত হয়েছিল, তা থেকে একজন গভীর সংবেদনশীল লেখিকার অন্তর্দৃষ্টি ও সচেতন মন-মানসিকতার পরিচয় মেলে যা গতানুগতিক রাজনৈতিক সাহিত্যে সচরাচর পাওয়া যায় না। পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্ট বাংলাদেশে যে মর্মান্তিক ট্র্যাজেডি ঘটে যায়, দৈবক্রমে তা থেকে রেহাই পেলেও সে ট্র্যাজেডির বিষাদ মূলত শেখ হাসিনাকেই এককভাবে সবচেয়ে বেশি বহন করতে হয়েছে এবং হচ্ছে।

পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্ট হাসিনা শুধু তাঁর পিতা, মাতা, তিন ভাই, দুই ভ্রাতৃবধূ এবং পরিবারের অন্যান্য ঘনিষ্ঠজনকেই হারাননি; সঙ্গে সঙ্গে হারিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত বাংলাদেশকে আর ছোট বোন শেখ রেহানা ও স্বামী ড. ওয়াজেদকে নিয়ে নিজেকে হতে হয়েছিল নির্বাসিত। সর্বোপরি পঁচাত্তরের তেসরা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নিহত হয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ, বিশ্বস্ত ও অনুগত চার জাতীয় নেতা তাজউদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এম মনসুর আলী ও কামারুজ্জামান, বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে যাঁরা একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন এবং বেঁচে থাকলে হয়তো তাঁরাই পারতেন বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে।

পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশে ঘাতকচক্র ক্ষমতাসীন আর বঙ্গবন্ধুর কন্যাম্বর নির্বাসিত, নিয়তির কি নিঠুর পরিহাস? একাত্তরের পরাজয়কে পঁচাত্তরের বিজয়ে পরিণত করে প্রতিবিপ্লবী ঘাতকচক্র মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও চেতনাকে সম্পূর্ণ অপসৃত করার জন্যে সামরিক অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইনডেমনিটি’ জারি করেছিল ফলে পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের ব্যবস্থা বন্ধ এবং ঘাতকচক্র অব্যাহতি পেয়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ কারাগারের রোজনামচা সারমর্ম | PDF | বই রিভিউ | শেখ মুজিবুর রহমান

অপরদিকে বঙ্গবন্ধু ও চার জাতীয় নেতার নাম উচ্চারণ পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এমন অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য ব্যাপার ঘটেছিল যে, পঁচাত্তরের পনেরোই আগস্ট ও তেসরা নভেম্বর যাঁরা চরম বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হয়ে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন তারাই বুঝি অপরাধী তাঁদের হত্যাকাণ্ডের জন্যে আর সে জন্যেই যেন তারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ! অপরদিকে পঁচাত্তর থেকে পঁচানব্বই দুই দশক পঁচাত্তরের হত্যাকারীরা একের পর এক ক্ষমতাসীন শাসকের পৃষ্ঠপোষকতা ও আনুকূল্য দ্বারা পুরস্কৃত হয়েছে। ঐ অবিশ্বাস্য পরিবেশে একাশি সালে শেখ হাসিনার নির্বাসন থেকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন ছিল এক অবিস্মরণীয় ঘটনা। এক মুমূর্ষু জাতির দেহে রক্তসঞ্চালনের মাধ্যমে সব্জীব করে তোলার মতো ব্যাপার। ফলে রাতারাতি অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে থাকে, বিস্মৃত বঙ্গবন্ধু তথা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির পুনর্জাগরণ ঘটে। সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের জন্যে আর পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে জাতি সোচ্চার হয়ে ওঠে, আবার জেগে ওঠে বাংলাদেশ।

পঁচাত্তর থেকে পঁচানব্বই বাংলাদেশ ছিল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সামরিক স্বৈরাচার কবলিত, ঐ অসহনীয় অবস্থার পরিবর্তনে শেখ হাসিনার নিরপেক্ষ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচনের রূপরেখা ছিল মুক্তির পথ-নির্দেশক। ঐ রূপরেখা বাস্তবায়নের ফলেই পরিণতিতে বাংলাদেশে নির্বাচন ও ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু এবং গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করতে পেরেছিল। তৃতীয় বিশ্বে একমাত্র বাংলাদেশেই বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনপ্রক্রিয়া চালুর পেছনে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা যে ভূমিকা রেখেছে তার মূল্যায়ন আজ অবধি হয়নি। তবে একথা নিঃসংশয়ে বলা চলে, দীর্ঘ আন্দোলন ও সংগ্রামের ফলে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে দেশের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা কার্যকর না হলে পঁচাত্তরের বিশ বছরের মধ্যেই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি কখনও ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বা ইনডেমনিটি বাতিল এবং পঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের বিচারের ব্যবস্থা সম্ভবপর হতো না।

বাংলাদেশে দীর্ঘ সামরিক শাসনের মধ্যেও এই গণতান্ত্রিক অর্জন সম্ভবপর হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্যেই। শেখ হাসিনা রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান কিন্তু আশির দশকের প্রথম দিকে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পূর্বে তিনি প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন গৃহবধূ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের এম এ ক্লাসের ছাত্রী। পঁচাত্তরের আগস্ট থেকে একাশির এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত বাধ্যতামূলক প্রবাসজীবন তাঁকে ছাত্রী থেকে ভবিষ্যত রাজনীতিকে রূপান্তরে কি ভূমিকা রেখেছিল তা আমাদের জানা নেই, কিন্তু একাশি সালের সতেরোই যে তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন আকস্মিক এবং অভাবিক হলেও তাঁর নিহত জনকের শূন্যস্থান গ্রহণ ছিল যৌক্তিক পরিণতি।

আরও পড়ুনঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী রিভিউ PDF শেখ মুজিবুর রহমান

এই ঘটনা তদানীন্তন সামরিক স্বৈরাচারের নিশ্চয়ই অভিপ্রেত ছিল না, কিন্তু ইতিহাসের গতি বড়ই বিচিত্র, যে নৃশংস প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দানের অপরাধে নির্বংশ করতে চেয়েছিল, যে অন্ধ শক্তি একাত্তরে বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে সফল নেতৃত্ব দানের অপরাধে চার জাতীয় নেতাকে কারাগারের অন্ধকারে পৈশাচিকভাবে হত্যা করেছিল, তারা কি স্বপ্নেও ভেবেছিল একদিন বঙ্গবন্ধু- কন্যা শেখ হাসিনা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন হবেন, জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল এবং দেশের প্রচলিত আইনে সাধারণ আদালতে মানবতার বিরুদ্ধে তাদের অপরাধের বিচার হবে? এই ঘটনা পঁচাত্তরের ঘাতকচক্রের জন্যে অবিশ্বাস্য হলেও ইতিহাসের বাস্তব সত্য।

পঁচাত্তর থেকে পঁচানব্বই বাংলাদেশের ঐ প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার ভূমিকা ও অবস্থান রাজনীতির ছাত্র মাত্রের জন্যেই আকর্ষণীয় বিষয় নিঃসন্দেহে কিন্তু শেখ মুজিব আমার পিতা’ সংকলনের প্রতিপাদ্য শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জীবন নয় বরং সংকলনের প্রতিপাদ্য সংঘাতময় দেশকালের পরিপ্রেক্ষিতে রচিত রাজনৈতিক প্রবন্ধাবলিতে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মধ্যে প্রয়াত জননেতা শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী দীর্ঘ জীবন লাভ করেছিলেন কিন্তু তাঁরা বিশেষ কিছু লিখে যাননি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চৌদ্দ বছর কারাগারে অতিবাহিত করলেও তাঁকে ষাটের দশকের শেষ দিকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামিরূপে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট বন্দিশিবিরে এবং একাত্তরে পাকিস্তানের বন্দিশিবিরে দেশদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে মৃত্যুর মুখোমুখি অবস্থান করতে হয়েছে। শেখ হাসিনা যে আশি ও নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশের জটিল ও কুটিল এবং সংঘাতময় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করেও ১৯৮৩ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত প্রতিকূল পরিবেশেও লেখায় বিরতি দেননি তাতে বোঝা যায় তিনি একজন জাত লেখক এবং যেকোনো পরিবেশেই তাঁর না লিখে উপায় নেই।

শেখ হাসিনা রচিত বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত নির্বাচিত দশটি প্রবন্ধের এই সংকলন ‘শেখ মুজিব আমার পিতা।’ বাংলাদেশের বাইরে বাংলাভাষাভাষী পাঠকদের লেখিকা শেখ হাসিনার রচনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে এবং বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের অবহিত করবে আশা করা যায়।

আরও পড়ুনঃ আমার দেখা নয়াচীন রিভিউ পিডিএফ | শেখ মুজিবুর রহমান PDF

Tags:
x
error: Content is protected !!