Skip to content
Home » আদর্শ হিন্দু হোটেল PDF রিভিউ | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় | Read Online

আদর্শ হিন্দু হোটেল PDF রিভিউ | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় | Read Online

আদর্শ হিন্দু হোটেল pdf রিভিউ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় read online

বইঃ আদর্শ হিন্দু হোটেল
লেখকঃ বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বইয়ের প্রেক্ষাপটঃ

আদর্শ হিন্দু হোটেল ইংরেজ আমলের ব্রাহ্মণ সমাজের একজন রাধুনি বামুণ হাজারী দেবশর্মার জীবনকাহিনী অবলম্বনে রচিত উপন্যাস। যেখানে হাজারী দেবশর্মা অপরের হোটেলের রাধুনী থেকে নিজের হোটেল তৈরির প্রচেষ্টা, উদ্যম, বাস্তবায়ন ও সফলতার কাহিনী বর্ণিত হয়েছে।

বইয়ের সারসংক্ষেপঃ

রাণাঘাটের রেলবাজারের বেচু চক্কত্তির বিখ্যাত হিন্দু হোটেলের রাধুনি ছিলেন হাজারী ঠাকুর। মাসিক সাত টাকা ও দুবেলা আহারসহ হোটেলে রাত্রি যাপনের সুযোগের পাশাপাশি হোটেলের পদ্নঝির উপদ্রবও সহ্য করতে হতো।হাজারী ঠাকুরের হাতের রান্না কেউ একবার খেলে আবারও খাওয়ার জন্য হোটেলে আসতো; যার কারণে বেচু চক্কত্তির হোটেলের সুনাম ছিল বেশ। তবে পদ্নঝি হাজারী ঠাকুরকে মোটেও দেখতে পেত না এমনকি একবার চুরির দায়ে হাজারি ঠাকুরকে জেলে পাঠিয়েছিলো অবশ্য পরবর্তীতে যখন দেখে হাজারী ঠাকুর ছাড়া হোটেল ভালো চলছে না তখন আবারও তাকে হোটেলে বহাল রাখে।

আরও পড়ুনঃ ইন্দুবালা ভাতের হোটেল PDF রিভিউ | কল্লোল লাহিড়ী

দীর্ঘ পাঁচ বছরের বেশি সময় বেচু চক্কত্তির হোটেলে কাজ করলেও হাজারী ঠাকুর সবসময় ভাবতো নিজের একটা হোটেল তৈরি করবে যেখানে সব কিছু অনেক নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলবে। রাণাঘাটে হাজারী ঠাকুরের এক ধর্ম মেয়ে কুসুম, তার গ্রাম এঁড়োশোলাতে গেলে সেখানে তার মেয়ে টেঁপির বান্ধবী অতসী, নতুন পাড়ার গোয়ালা বাড়ির বৌ সকলেই হাজারী ঠাকুরকে নতুন হোটেল খোলার জন্য সাহায্য করতে চেয়েছিল। হাজারী ঠাকুরের মতো সৎ, কর্মঠ ব্যক্তিকে সবাই পছন্দ করতো।

এতোগুলো মানুষের সহযোগিতা, বিশ্বাস, নিজের ইচ্ছাশক্তির বলে হাজারী ঠাকুর রাণাঘাটের রেলবাজারে বেচু চক্কত্তির হোটেলের পাশেই হোটেল খোলে যার নাম দেয় “আদর্শ হিন্দু হোটেল”। পরবর্তীতে হাজারী ঠাকুর দুটি হোটেলের মালিক হয় এবং মোম্বে যাওয়ারও সুযোগ পায়। হোটেল দুটি নিয়মতান্ত্রিকভাবে চালানো, তার স্ত্রী সন্তানদেরকে শহরে নিয়ে এসে সুন্দর জীবন দেওয়া, কুসুমকে সাহায্য করা, টেঁপিকে নরেন এর সাথে বিবাহ দেওয়া, রেলবাজারের সুনাম অর্জন করা এমনকি যখন তার আগের মনিব বেচু চক্কত্তির হোটেল বিক্রি হয়ে যায় তখন তিনি তার মনিব ও পদ্নঝিকে তার হোটেলে কাজ দেওয়া সবাই তার সৌভাগ্য ছিল। কিন্তু মোম্বে যাওয়ার আগে পদ্নঝি যখন হাজারী ঠাকুরের পায়ের ধুলো নেয় তখন হাজারী ঠাকুরের এই সৌভাগ্য সকল সৌভাগ্যকে ছাড়ায়ে যায়।

পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ

জীবনের কোন কিছু করার লক্ষ্য যদি ঠিক থাকে, পাশে যদি সহযোগিতার কিছু মানুষ থাকে এবং কাজে যদি সৎ থাকা যায় তাহলে যে কোনো অসাধ্য কাজও সাধ্য করা যায়, হাজারী ঠাকুরের কর্মজীবন তারই প্রতিফলন।

রিভিউ করেছেনঃ Munzeera Eshita

আরও পড়ুনঃ আরণ্যক PDF | উপন্যাসের বিষয়বস্তু | রিভিউ | বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

x
error: Content is protected !!