Skip to content
Home » বেগ বাস্টার্ড সিরিজ রিভিউ | Beg Bastard Series PDF | Nazimuddin

বেগ বাস্টার্ড সিরিজ রিভিউ | Beg Bastard Series PDF | Nazimuddin

বেগ বাস্টার্ড সিরিজ রিভিউ সিরিয়াল pdf মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন বই

বই: বেগ বাস্টার্ড সিরিজ
লেখক: মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
প্রকাশনী: বাতিঘর
রিভিউ করেছেন: Rehnuma Prapty

❛নেকনেককনে❜ শেষ করলাম।
ভাবছেন তো ❛নেকনেককনে❜ আবার কী জিনিস রে বাবা!

বেগ বাস্টার্ড সিরিজের নাম তো শুনেছেন? বাংলা থ্রিলার সাহিত্যে অন্যরকম মাত্রা এনে দেয়া জেফরি বেগ আর বাস্টার্ড ওরফে বাবলুর ঘটনা নিয়ে নাজিম উদ্দিনের বেগ বাস্টার্ড সিরিজ। ইতোমধ্যে প্রকাশ পেয়েছে ছয়টি বই।

প্রথম পাঁচটা আগেই পড়ে শেষ করেছিলাম। ষষ্ঠ বই ❛নেক্সট❜ ২২-এর মেলায় সাত বছর বিরতির পর প্রকাশ পেয়েছে। পড়ে শেষ করেছি শেষ বইটিও। এরপর আবার পরবর্তী বই পেতে ঠিক কত বছরের অপেক্ষা করতে হবে সেটা সময়ের উপর ছেড়ে দেয়াই ভালো।

হারাধনের ছয়টি ছেলে থুরি বেগ বাস্টার্ড বইগুলো পড়া হলেও রিভিউ করা হয়নি। তাই হেক্সা কমপ্লিট করে একসাথে বইগুলো নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে এলাম।

যারা সিরিজটি পড়ে শেষ করেননি, অনুগ্রহ করে রিভিউটি এড়িয়ে যাবেন। স্পয়লার থাকতে পারে।

আরও পড়ুনঃ সিক্রেটস অব জায়োনিজম বই PDF রিভিউ Secrets of Zionism Bangla


১) নেমেসিস:

নেমেসিস মানে জানেন তো?
প্রাচীন এক গ্রীক দেবীর নাম ❛নেমেসিস❜। নামের সাথে মিশে থাকা অর্থ ❛প্রাপ্য প্রদান❜। গ্রীকদের কাছে সে ছিল ঐশী প্রতিশোধের আত্মা। তার আরেক নাম ছিল—এডরেসটিয়া; অর্থ ❛যার কাছ থেকে পালানো অসম্ভব❜। নেমেসিস মানে এখানে অমোঘ নিয়তি। হেলেনীয় জীবনবীক্ষার, গ্রীক ট্র্যাজেডির মূল থিম এই নেমেসিস।

সোজা অর্থে পাপের শাস্তি পাওয়া, অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয়া।

পক্ষাঘাতগ্রস্ত এক লেখক নিজ বাসায় রহস্যজনকভাবে মা রা গেলেন। তদন্তের দায়িত্ব পড়লো হোমিসাইডের চিফ ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের উপর। সুদর্শন, তীক্ষ্ণ বুদ্ধির অধিকারী বেগ ঘটনাস্থল তদন্ত করে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে সন্দেহ করলো লেখকের মৃ ত্যু সাধারণ নয়। খু ন করা হয়েছে তাকে। কিন্তু কেন? অসুস্থ একজন লেখককে কেন-ই বা কেউ সুপরিকল্পিভাবে হত্যা করবে?

তদন্ত করতে করতে একটা নাম পেলো অবশেষে। কিন্তু এটা আবার কারো নাম হয় নাকি? বাস্টার্ড!
নাম যেমনই হোক তাকে ট্রেস করতে হবে। শুরু হলো বেগ বাস্টার্ড -এর ইঁদুর-বিড়াল খেলা। লেখককে হত্যার পিছে কারণ উদঘাটন আর এই বাস্টার্ড কে ধরতেই হবে। দেশের উঁচু পর্যায়ের লোকেদের ক্ষমতার সাথে কি বেগ পেরে উঠবে? এই অমূল্য বাবুটাই বা কে?


২) কন্ট্রাক্ট:

লেখক জায়েদ হত্যার পর কেঁটে গেছে বেশ কিছুটা সময়। আইনের মার প্যাঁচ আর ক্ষমতার খেলায় পাল্টে গেছে পাশার দান।

এবার নতুন খেলায় নেমেছে বাবলু ওরফে বাস্টার্ড। সন্ত্রাসে র জগতে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা এক নাম ❛ব্ল্যাক রঞ্জু❜। চাঁদাবাজিতে সবার কাছে এক আতঙ্ক। চাঁদা আদায় না হলে তাকে জানে শেষ করে দিতেও দুইবার ভাবে না রঞ্জুর দল। বাস্টার্ড-এর কাজ এবার রঞ্জুকে শেষ করা। এই কাজের বিনিময়ে বেশ মোটা অংকের টাকাও পাবে সে। শুধুমাত্র চাঁদা দেয়া থেকে মুক্তি পাবার জন্য এরা ব্ল্যাক রঞ্জুর মতো শীর্ষ সন্ত্রাসী কে মেরে ফেলতে চাইছে!

বাস্টার্ড লেগে পড়লো রঞ্জুর খোঁজে। একে একে রঞ্জুর দলের ছোটো থেকে শুরু করে চেইন অফ কমান্ডের উঁচুস্তরের লোকেরা মারা পড়তে শুরু করলো। বাবলুর ছোটোবেলা থেকেই সে ঠান্ডা মাথার ছেলে। বিপদ আগে আঁচ করতে পারা, বিপদে মাথা ঠান্ডা রেখে মোকাবিলা করা, আর নির্ঘাত পরাজয় থেকে কিস্তিমাত করে দেয়া এইসবই তার চরিত্রের চুম্বক দিক। এভাবেই সে টিকে আছে।

একে একে রঞ্জুর লোক মারা পড়ছে আর তার তদন্ত করছে হোমিসাইডের জেফরি বেগ। তদন্তে যা বেরিয়ে আসছে সব ইশারা করছে একদিকেই। রঞ্জুর লোক সবাই। এদেরকে সিরিয়ালি মারছে কে? ভেবেই পাচ্ছে না সে।

এদিকে বাবলুর মিশনের মাঝে জড়িয়ে যায় উমা নামের একজন রমণী। তাদের মধ্যে গড়ে ওঠে সখ্যতা।

ছুটতে ছুটতে বেগ হদিস পায় বাবলুর। আবার সেই বাবলু! কিন্তু সেই বা কেন রঞ্জুর পিছে ছুটছে?

এদিকে রঞ্জুর বিশাল দলকে কোণঠাসা করে বাবলু পৌঁছে যায় একেবারে কলকাতার চায়নাটাউন। এরপর?

রঞ্জুকে হত্যা পরিকল্পনার মূল ভীত কি শুধুই নিছক চাঁদাবাজি না আছে রাজনীতির সূক্ষ কোন চাল?


৩) নেক্সাস:

সেন্ট অগাস্টিন স্কুলে বিভৎস ভাবে খুন হয়ে যায় সেখানকার নিরীহ এক ক্লার্ক। তদন্তে নামে যথারীতি চিফ ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। স্কুলের সুনাম আর শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক না ছড়ানোর জন্য যথাসম্ভব গোপনে তদন্ত করতে অনুরোধ করেন প্রিন্সিপ্যাল।

তদন্ত করতে বেরিয়ে আসে ক্লার্কের খুনের পরথেকে স্কুলে অনুপস্থিত তুর্য নামের এক ছাত্র। ক্লার্কের রহস্যময় খুন আর তুর্যের স্কুলে না আসাটা কী কোনোভাবে যুক্ত?

নেক্সাস মানে জানেন তো? কানেকশন, বন্ধন, যোগসূত্র। তবে ক্লার্ক হ ত্যা আর তুর্যের অনুপস্থিত থাকার সুতোটা কোথায় গিয়ে মিলেছে?

এক প্রান্তের সুতো নিয়ে সামনে আগাতে আগাতে নাম আসে আরেক কু খ্যাত সন্ত্রাসীর। সে কে?

কাহিনি গড়িয়ে দৃশ্যপটে আসে অতীতের সেই পুরনো শত্রু রঞ্জু। সত্যিই কে সে রঞ্জু? না অন্য কেউ? যোগসূত্রে হাজির বাবলুও। দুইজনের পুরোনো শ ত্রু তা। রঞ্জুর পুরো দল একাই ধ্বসিয়ে দেয়া বাবলুকে এবার রঞ্জু ছাড়বে? দিল্লিতে মুখোমুখি দুইজন। ঢাকায় থেকে বেগ কী করে থামাবে বাস্টার্ড কে?


৪) কনফেশন:

রঞ্জু, রঞ্জুর দলের সাথে লড়াইটা বাস্টার্ড-এর জন্য বেশ পুরনো। শেষ সংঘাতের পর কেটে গেছে বেশ কিছুটা সময়। পেশাদার খুনির ভোল পাল্টে সাধারণ জীবনে ফিরে গেছে সে। কিন্তু যার জীবনে খুন খারাবি, ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া-ই স্বাভাবিক তার বেশিদিন গেরস্থ জীবনে থিতু হওয়া সাজে কি? আবার পুরোনো জীবনে ফিরে গেলো বাবলু ওরফে বাস্টার্ড। তবে এবারের কারণ প্রফেশনাল না ইমোশনাল?

বাড়ির ড্রাইভারের হত্যা কান্ডের তদন্ত করতে এসে জেফরি বেগ আবিষ্কার করলো অন্য রহস্য। সে রহস্যের পিছে ছুটতে ছুটতে আবার দেখা পেলো বাস্টার্ড-এর। বেগ বাস্টার্ড -এর দেখা হওয়া এখন যেন একটা নিয়তির খেল হয়ে গেছে। প্রায় কাছাকাছি চেহারার দুইজন মানুষ এরা। বল বুদ্ধিতে একে অপরের পরিপূরক বলা যায়। তবে কর্মে ভিন্ন। একজন অপ রাধী দের ধরে, আরেকজন অপ রাধ করে বেড়ায়।

অবশেষে বেগ কব্জা করতে পেরেছে বাস্টার্ড কে। ইন্টারোগেশন রুমে মুখোমুখি বেগ-বাস্টার্ড। শুরু হলো বেগের প্রশ্ন আর বাস্টার্ড এর উত্তর। নাকি কনফেশন?

কিন্তু শুধু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যাওয়াই কী চতুর এর কুল ব্রেইনের অধিকারী বাস্টার্ড এর কাজ? টুইস্ট এন্ড টার্ন হবে তো?


৫) করাচি:

বাস্টার্ড পেয়েছে নতুন এক খুনে র সুপারি। ডেস্টিনেশন সুদূর পাকিস্তানের করাচি।

হিসেবটা বহু বহু পুরনো। সেই ৭১ এর যুদ্ধের কথা। পাক হানাদার বাহিনীর সাথে চলছে যুদ্ধ। পাক বাহিনীর সাথে মদদ জুগিয়েছিল বাঙালি কিছু বিশ্বাস ঘা ত ক রা জা কার। তেমনই একজনকে অতীত পাপের হিসাব চুকাতে হবে। কাজটা করবে বা স্টা র্ড।

যুদ্ধের পরে দেশ ছেড়ে পাকিস্তানে পারি জমিয়েছে সে। আলিশান জীবনযাপন করছে। তার মৃত্যু দূত হয়ে করাচির মাটিতে পা দিয়েছে বাস্টার্ড। ঘুণাক্ষরেও যার ধারণা নেই ৭১ এর সেই বিশ্বাসঘাতকের। প্লেনে ছোট্ট একটা বই ফেলে আসাই যে এতবড়ো উপাখ্যানের সৃষ্টি করবে কেই বা জানে তা?

করাচিতে বাস্টার্ড একাই ধুন্ধুমার লাগিয়ে দিয়েছে। তবে যাকে শুধু রাজাকার ভেবেছিল সে আরো বেশি কিছু। ধারনার অতীত। লক্ষ্য ক্রমশ কঠিন হচ্ছে। কিন্তু হাল ছেড়ে দেয়ার লোক তো বাবলু নয়।


৬) নেক্সট:

ফিনিক্স পাখি চিনেন তো? ভস্ম থেকে পুনরুত্থিত হওয়া সেই পাখি।

আক্ষরিক অর্থেই ঠিক ফিনিক্স পাখির মতোই ভস্ম থেকে পুনরুত্থিত হয়েছে ব্ল্যাক রঞ্জু। কিন্তু এ তো অসম্ভব! বহু বছর আগে যাকে নিজের চোখে ভস্ম হতে দেখেছে বাস্টার্ড, সেই মৃত মানুষ কী ফিরে আসে? ফিরে এসে দ্বিগুণ শক্তিতে চাঁদাবাজি করে?

রঞ্জুর দল আগের থেকেও বেশি সতর্ক আর ভয়ানক হয়ে মাঠে নেমেছে। বেপরোয়া দলটি কাউকে পরোয়া করে না। চাঁদা আদায় না হওয়ায় প্রাণে মেরে দিয়েছে স্বয়ং এমপি পুত্রকে। এই থেকেই শুরু হলো নেক্সট।

বেগের উপর ভার পড়েছে এমপি পুত্রের হত্যা র তদন্তের। সাথে মাথার উপর সাত দিনের সময় বাঁধা। ক্ষমতায় থাকা লোকগুলোর এহেন আচরণে বিরক্ত সে।

মৃত্যুর দুয়ার থেকে আবার ফিরে আসা রঞ্জু এবার প্রতিশোধের নেশায় মত্ত। বাস্টার্ডকে মার তে মরিয়া সে। পরপর কয়েকবারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এবার একেবারে মোক্ষম চাল দিয়েছে সে। কব্জা করেছে অমূল্য বাবুকে। পিতৃতুল্য এই মানুষটির বিপদে বাস্টার্ড চুপ করে থাকতে পারে না।

আরও পড়ুনঃ জাল আবু ইসহাক PDF | গোয়েন্দা উপন্যাস বুক রিভিউ | Jal Abu Ishak

বাস্টার্ড এবং বেগ কোনমতেই বিশ্বাস করতে পারছে না এইরকম কয়লা পুড়ান দেয়ার পরেও কীভাবে রঞ্জু বেঁচে যায়? বেগের আবার ডাবল চিন্তা। গত কেইসে বাস্টার্ড কে কব্জা করার পরে ঘটনাক্রমে বেগের সহযোগী জামান তাকে গুলি করে। বেগের ধারনা ছিল বাস্টার্ড এরও ভবলীলা সাঙ্গ হয়েছে। কিন্তু নিয়তির খেল। তাদের দুইজনের মোলাকাত কিংবা যোগাযোগ হয়েই যাচ্ছে।

আগুনে পুড়ে যদিওবা রঞ্জু বেঁচে গিয়ে থাকে তবুও তার শারীরিক অবস্থা ভালো হবার কথা নয়। তবে রঞ্জুর এই বিশাল দলের কলকাঠি নাড়ছে কে?

দৃশ্যপটে আসছে নতুন সব চরিত্র, নতুন সব ঘটনা। এর মাঝে বেগ বাস্টার্ড, রঞ্জু, অমূল্য বাবু আর জামান ধ্রুবক।

ঈদের ছুটির শেষ পর্যায়ে ব্ল্যাক রঞ্জু আর তার দূর্ধর্ষ দলকে ধরতে নিধিরাম সর্দারের মতো ঢাল তলোয়ার ছাড়া মাঠে নেমে কতটুক সুবিধা করতে পারবে জেফরি বেগ?

রঞ্জুর রহস্যের সমাধান হবে কি?


আরও পড়ুনঃ ইন্দুবালা ভাতের হোটেল PDF রিভিউ | কল্লোল লাহিড়ী | Read Online

পাঠ প্রতিক্রিয়া:

সিরিজের প্রথম বই নেমেসিস। শুরু হিসেবে ভালো ছিল। লেখকের রহস্যজনক মৃত্যু তদন্ত করতে গিয়ে দুর্ধর্ষ খুনি বাস্টার্ড কে ধাওয়া থেকে শুরু বেগ বাস্টার্ড সিরিজের। বইয়ের মূল চরিত্র জেফরি বেগ হলেও বাস্টার্ড ওরফে বাবলু সবার কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে আমার কাছে জেফরি বেগকেই বেশি পছন্দ। সিরিজের প্রথম বইতে বেগের বেগ আর বুদ্ধির ধার কিছুটা ভোতা লাগলেও পরবর্তী বইগুলোতে শান বেড়েছে।

কন্ট্রাক্ট আর নেক্সাস এই সিরিজের আমার মতে সবথেকে স্ট্রং বই। কাহিনি, চরিত্রবিন্যাস, ক্লাইম্যাক্স, টুইস্ট সবকিছু দারুণ ছিল। বেগ বাস্টার্ড এর অদৃশ্য বন্ধন, আবার একে অন্যকে তাড়িয়ে বেড়ানো সবকিছুই উপভোগ্য লেগেছে।

সিরিজের সবথেকে দুর্বল বই লেগেছে কনফেশন। প্রচুর রিপিট ছিল। অর্ধেক কন্ট্রাক্ট বইয়ের কাহিনি এখানে তুলে দিয়েছে। ভালো লাগেনি পড়তে।

করাচি অতিমানবীয় ধরনের লেগেছে। এটাকে সিরিজের প্রিকুয়েল হিসেবে ধরা যায়। নেমেসিসের ইমিডিয়েট আগের ঘটনা। পুরোটাই বাবলু অরিয়েন্টেড বই। তবে একা এত বেশি তেলেসমাতি দেখানোটা একটা ভিন্ন দেশে কোনো সাপোর্ট ছাড়া একটু বেশিই লেগেছে। জেফরি বেগ ছিল না, এটাও কম পছন্দ হওয়ার একটা কারণ।

আরও পড়ুনঃ যে বইগুলো জীবনে একবার হলেও পড়া উচিত | ৫০০ বইয়ের তালিকা

সিরিজের আপাতত সর্বশেষ বই নেক্সট। এখানে কন্ট্রাক্ট আর নেক্সাসের ঘটনার মিশেল হয়েছে। অতীতের অনেক কিছু যুক্ত হয়েছে। নতুন মুখ এসেছে। রাজনীতির বিভিন্ন ঘটনা, যু দ্ধের সময়ের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যুদ্ধ পরবর্তী ঘটনার সমাবেশ করিয়েছেন লেখক। প্রচুর ইতিহাস আর তথ্য দিয়েছেন। লেখকের লেখার গতিময়তার গুণে সেগুলো পড়তে ইন্টারেস্টিং লেগেছে এবং দ্রুত পড়া গেছে। সাথে ব্ল্যাক রঞ্জু কিভাবে ব্ল্যাক রঞ্জু হলো তার ব্যাকস্টোরি এনেছেন। শেষে এসে টুইস্ট দিয়েছেন। সবমিলিয়ে ভালো লেগেছে।

তবে রঞ্জু বেঁচে আছে নাকি সত্য মিথ্যা খোলাসা করতে কাহিনি অনেক বেশি অলিগলি দিয়ে ঘুরেছে। প্রতি অধ্যায়ে টুইস্ট দিয়ে গেছেন। মাঝে মাঝে বেশি টুইস্ট এন্ড টার্নে একটু গুলিয়ে গেছে।

বাংলা থ্রিলার সাহিত্যে বেগ বাস্টার্ড সিরিজ অন্যতম জনপ্রিয় সিরিজ। ভালো মন্দ মিলিয়ে উপভোগ্য অবশ্যই।

তবে পরবর্তী বইয়ের জন্য আবার অপেক্ষার প্রহর কতবছর সেটা লেখকও জানেন না মনে হয়।

আরও পড়ুনঃ জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম-সনদ অথবা সার্টিফিকেটে নামের ভুল সংশোধন

Tags:
x
error: Content is protected !!